নেতানিয়াহুর বদলে কে হচ্ছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী?

নাফতালি বেনেট ও ইয়ার লাপিদ
বামে নাফতালি বেনেট ও ডানে ইয়ার লাপিদ

১২ বছরের শাসনের অবসান হচ্ছে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুর। বিরোধী দলের নেতা ইয়ার লাপিদ জোট সরকার গঠন করার ঘোষণা দিয়েছেন। তবে সমঝোতার অংশ হিসেবে প্রথম দুই বছর প্রধানমন্ত্রীত্ব করবেন নাফতালি বেনেট এবং পরের দুই বছর ইয়ার লাপিদ।

তবে ইসরাইলের পার্লামেন্টে (নেসেট) এখনো ভুটাভুটি বাকি আছে। নেসেটে মোট সিটের সংখ্যা ১২০টি। কোনো একটি দল বা জোটকে ক্ষমতা গ্রহণ করতে হলে ৬১টি আসন নিশ্চিত করতে হবে।

এ বছরের ২৩ মার্চ ইসরাইলে নির্বাচন হয় । ২ জুন নতুন বিজয়ী জোটের সরকার গঠন করার কথা। ইসরাইলের নির্বাচনে কোনো ব্যক্তি নয় বরং দল ভোটে দাঁড়ায়।

ক্ষমতাসীন বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি ২৪.১৯ শতাংশ ভোট পেয়ে ৩০টি আসন পেয়েছে। ইয়ার লাপিদের ইয়েশ আতিদ পার্টি পেয়েছে ১৩.৯৩ শতাংশ। নাফতালি বেনেটের ইয়ামিনা পার্টি পেয়েছে ৭টা সিট।

মোট ১৩টি দল নেসেটে আসন নেয়ার মতো ভোট পেয়েছে। এর মধ্যে ইসরাইলে বসবাসকারী ফিলিস্তিনিদের একটা দল আছে। দলের নাম ইউনাইটেড আরব লিস্ট। হিব্রু ভাষায় দলটির নাম রা’ম। এই দলের নেতা মনসুর আব্বাস দুই জোটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন। তারা ১২০টির মধ্যে ৫টি আসনে জয়লাভ করেছেন।

মনে করা হচ্ছিল নেতানিয়াহু জোট সরকার গঠন করতে পারবেন। কিন্তু নাফতালি বেনেট ও মনসুর আব্বাসকে জোটে ভেড়াতে ব্যর্থ হয়েছেন। তবে নতুন এই জোট কতদিন নিজেদের ঐক্য ধরে রাখবে তা নিয়েও সন্দেহ আছে।

প্রধানমন্ত্রী হতে যাওয়া নাফতালি বেনেট গত বছর দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন। সফটওয়ার ব্যবসায়ী এবং মিলিওনিয়ার। কঠোর ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। ২০১৩ সালে তিনি বলেছিলেন, তারা (ফিলিস্তিন) যেন কোনো রাষ্ট্র না পায় সেজন্য আমি সব শক্তি ব্যয় করবো।

সে বছর কিছু ফিলিস্তিনি ইসরাইলের কারাগার থেকে মুক্তি পেলে তিনি বলেছিলেন, আমি মনে করি ফিলিস্তিনি সন্ত্রাসীদের গুলি করে মারা উচিত। আমার জীবনে অনেক আরবকে মেরেছি। তাতে কোনো সমস্যা হয়নি।

Feature BD